Freequently Asked Questions(FAQ)

ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে আমার কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন আসে। আমি বিভিন্ন সময় অনেকের প্রশ্নের উত্তর দেই আবার অনেকের ক্ষেত্রে উত্তর দিতে পারিনা। সেজন্য আমার ওয়েব সাইটে আপনাদের জন্য এই আয়োজন। এই লকড ডাউনে ঘরে বসে ফ্রীল্যন্সিং করা একটা সৌভাগ্য বলা চলে। ইচ্ছা থাকলে আর সঠিক উপায় জানা থাকলে খুব সহজে ফ্রীল্যান্সিং শেখা সম্ভব এবং ভবিষ্যতে এই ফ্রীল্যান্সিং ই হবে সোনার হরিণ, লিখে রাখুন আমার কথা।

এই ওয়েবসাইটে আমি এখন থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট দিব যা আপনাদের শেখার পথে খুব সহায়ক হবে। সেসব পোস্ট পেতে নিচের বক্সে আপনার ইমেইল এড্রেস দিন, তাহলে আমি পোস্ট করা মাত্রই আপনি মেইলে সেটা পেয়ে যাবেন। এছাড়া এই ওয়েবসাইটের রেগুলার ইউজাররা পাবেন বিশেষ সাপোর্ট, সেজন্য আপনি চাইলে এই ওয়েবসাইটের সাবস্ক্রাইবার হতে পারেন এবং সেটা একদম ফ্রী (চা প্রযোজ্য)

তো শুরু করা যাক? রেডি!

 

(প্রমিত বাংলা রীতি মেনে এই সাইট বানানোর সময় আমার হয়নি।

মাত্র দুদিনে পুরো একটা কাস্টম সাইট ডেভেলপ করতে গিয়ে সব

চেক করার সময় মেলেনি।ভুল ত্রুটি থাকলে নিজ দায়িত্বে ঠিক করে পড়বেন দয়া করে)

  জবাবঃ      

সহজ কথাবার্তায় আলোচনা শুরু করা যাক। ফ্রীল্যান্স কাজ অর্থাৎ ফ্রীল্যান্সিং বলতে এমন ধরণের কাজ বোঝায় যেখানে আপনি,
১) ইচ্ছেমতো সময়ে
২) ইচ্ছেমতো প্রোজেক্টে
৩) যেকোনো ক্লায়েন্ট এর সাথে
৪) যেকোন জায়গা থেকে
কাজ করতে পারেন।

প্রশ্নটি করেছেন ২ জন

  জবাবঃ      

একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম। সেখানে অথার (Author) লিখেছিলেন ঘরে বসে অনলাইনে এখন প্রায় ৩০ টির মত কাজ করা যায়। তবে আমি কয়েকটি উল্লেখ করতে চাই যেমনঃ Web Development, Graphics Design, Article Writing, Social Media Marketing, Video Editing, Data Entry

এই কাজগুলো এতটাই বিশাল যে এর মধ্যেই এখন অসংখ্য সাব-গ্রুপ রয়েছে। বুঝতে কষ্ট হচ্ছে? আসুন একটু ক্লিয়ার হই।

গ্রাফিকস ডিজাইন এর ভিতরেই আপনি অসংখ্য সাব-গ্রুপ পাবেন। যেমনঃ Product Design, Business Card Design, Manipulation, Website Banner Design, Flyer, Logo Design.

তেমনি Web Development এর ও রয়েছে অসংখ্য সাব-গ্রুপ বা শাখা। শাখা বললেই আমার বিভিন্ন নদীর শাখানদী, উপনদীর কথা মনে পড়ে। ওগুলো মুখস্থ করার চেয়ে ফ্রীল্যান্স সহজ।

আরো কি কি করা যায় জানতে গুগল করুন।

প্রশ্নটি করেছেন ৯ জন

  জবাবঃ      

এই প্রশ্নটা খুব বেশিই আমার কাছে অনেকেই করেছেন। এর উত্তরে প্রশ্ন করা ছাড়া উপায় নেই। পরের বেলা কি খাবেন সেটা যদি আমি ঠিক করে দেই, খাবেন?

এটাও তাই। আপনি কি কাজ করবেন সেটা আপনাকেই বেছে নিতে হবে৷ তবে সাজেশন যদি চানইইইইইই তবে বলি,

আগের প্রশ্নের উত্তরে যেসব কাজের নাম বলেছি, সেগুলোর প্রচ্চুর ভিডিও ইউটিউবে পাবেন৷ আপনার ইচ্ছেমতো কাজগুলোর ভিডিও দেখুন৷ আর্টিকেল পড়ুন। মনে রাখবেন, ফ্রীল্যান্সিং একটা পেশা যার সাথে হয়তবা (ইচ্ছে থাকলে) আপনার অনেক বছর বা বাকি জীবন চলতে হবে৷

জুতা কিনতে গেলেই তো কতগুলো পায়ে দিয়ে দিয়ে দেখেন, হেঁটে আয়নায় দেখেন। প্রফেশনে গাফিলতি করলে হবে গুরু?

প্রশ্নটি করেছেন ২২ জন

  জবাবঃ      

দারুণ প্রশ্ন। কয়েকটা ধাপে এটার উত্তর দেই।  আমার ছোট্ট ফ্রীল্যান্স অভিজ্ঞতার থেকে দেখেছি, শুধু দিকনির্দেশনা না থাকায় অনেকেই দিশেহারা হয়ে আর কিছু শিখেন না৷ তো দেখা যাক সেই দশা দূর করা যায় কিনা!

১) আপনার পছন্দের কাজ খুঁজে বের করুন

২) শিখুন শিখুন শিখুন। কোত্থেকে শিখবেন? গুগল! ইউটিউ!  (বিস্তারিত পরের কোন প্রশ্নে)

৩) যেকোন ভাল মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলুন এবং প্রোফাইল সুন্দরভাবে দাড় করান। (এ ব্যাপারে আমি বিস্তারিত জানাবো আমার এই ব্লগে)

৪) ভাল এবং গোছানো ইংরেজি বা কমিউনিকেশনের বিকল্প নেই। সেটা বাড়ান৷

৫) নিজের পোর্টফলিও দাড় করান। নিজেকে ব্রান্ড লেভেলে নিয়ে যান! আপনি কোন একটা মানুষ নন, কোন ছিড়েধরা পাব্লিক নন, আপনি একটা ব্র‍্যান্ড!

৬) টাকার হিসেব রাখুন, সঞ্চয় করুন। বাবা-মা কে উপহার দিন।

ব্যাস।

প্রশ্নটি করেছেন ৯ জন

  জবাবঃ      

ফ্রীল্যান্স প্রোজেক্ট মানেই যে অনলাইন তা নয়। প্রথম উত্তরে বলা ক্রাইটেরিয়াতে যা যা পড়ে সেটাই ফ্রীল্যান্সিং৷

ঘরে বসে ফ্রীল্যান্স প্রোজেক্টে কাজ করতে আমরা কিছু ওয়েবসাইট ব্যবহার করি। যেমনঃ Upwork, Freelancer, 99designs, Belancer, Teespring, Fiverr, PeoplePerHour, iWriter, Envato Marketplace সহ আরো অনেক ওয়েবসাইট।  এগুলোর যেকোন একটাতে আপনার একাউন্ট প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

প্রতিষ্ঠিত বলতে পরিচয় দেয়ার মত অবস্থান তৈরি করা। প্রত্যেক সাইটে রেটিং/রিভিউ সিস্টেম থাকে, অর্থাৎ আপনি কাজ কেমন করলেন বা আপনার ডিজিটাল প্রোডাক্ট কেমন সেটা ক্লায়েন্ট রেটিং দেয়৷ একটি প্রতিষ্ঠিত প্রোফাইল/একাউন্ট এর রিভিউ ভাল হলে কাজ ভাল পাবেন, অর্ডার বেশি মিলবে। যেমন সবাই বলে কনফিডেন্স লবণ ভাল, আপনি কিন্তু এই রিভিউ শুনেই সেটা কিনে আনবেন। তাই না?

সাবধানতাঃ প্রচুর ভুয়া সাইট এখন আছে। আবার অনেকে শর্টকাটে ফাইভারে টাকা কামাতে চান। এগুলো করবেন না৷ ‘এড দেখুন টাকা কামান’ এমন সাইটে বা শর্টকাটে টাকা ইনকাম করতে গেলে শর্টকাটেই আপনার ফ্রীল্যান্স ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। সাবধান!

কঠিন লাগছে? আরেকবার পড়ুন৷ ফ্রীতে গুছিয়ে এভাবে আপনাদের প্রশ্নের উত্তর কেউ দিবে না৷ মিলিয়ে নিবেন। 🙂

আমি চাই, আপনি সঠিক শিখুন।

প্রশ্নটি করেছেন ১৯ জন

  জবাবঃ      

দুঃখিত আপনি পারবেন না৷ কেন?

আমরা প্রশ্ন তখনি করি যখন আমরা সেটা জানি না, বুঝি না, সন্দেহে থাকি কিংবা ‘ন’ কারান্ত (বাংলা ব্যাকরণ দ্রষ্টব্য) চেতনায় বাস করি। Avoid Naysayers কে আমি বলি No to your own Naysayer mind.

নিজেকে নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবেন না৷ আমি এমন ফ্রীল্যান্সার কে চিনি যিনি দশম শ্রেণীর পাঠ চুকান নি, শারীরিকভাবে অক্ষম মানুষ পত্রিকায় পাতায় এসেছেন ফ্রীল্যান্সিং করে। তাঁদের প্রতি আমার সম্মান রেখে বলছি, আপনি তাঁদের থেকেও এগিয়ে আছেন। আর আপনি পারবেন না!

আপনিই পারবেন।

বলুন

প্রশ্নটি করেছেন ৩ জন

  জবাবঃ      

আজীবন। শেখার কোন শেষ নেই। যদি বেসিক শিখতে চান তবে বলব আপনার কমন সেন্স এবং ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।

খুব আগ্রহী হলে একমাসেই বেসিক শেষ করতে পারবেন। তবে নিজেকে প্রোফেশনাল লেভেলে নিতে সময় লাগবে।

ধরুন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে শুরু করেছেন। বুঝতে পারছেন না কতদূর শিখলে বুঝবেন যে আপনি রেডি। সেক্ষেত্রে অন্যদের কাজ দেখুন। Behance, Dribble বা আমার আগের প্রশ্নে উল্লেখ করা সাইটে যান। কিংবা আপনি কোন একটা ইলাস্ট্রেশন (পরিচিত হোন, গুগল করুন এটা কি, কাজে লাগবে) দেখলেন Freepik বা আপনার ফেসবুক(**) স্ক্রোল থেকে একটা ডিজাইন সামনে এল, সেটা হবহু বানাতে পারলে আপনি বেসিক পার করে গেছেন, আর সেটার ভুল ধরে আরো বেটার কিছু বানাতে পারলে বুঝবেন আপনার “সেন্স অফ জাজমেন্ট” (Behavioral psychology তে পাবেন) তৈরী হয়েছে। অর্থাৎ আপনি ভাল মন্দ বুঝেন।

সব কাজের ক্ষেত্রে একইভাবে বুঝবেন। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখছেন, প্রচ্চুর ভাল ভাল ডিজাইনের সাইট (Google: Awwwards of best website design) দেখুন। আইডিয়া হয়ে যাবে। ওমন বানাতে পারলে আপনি মাস্টার! না পারলে শিখুন৷ কোড তো সামনেই আছে।

এখন এই লেভেলে আসতে যদি চেষ্টা না করেই ভয় পান, ভাই টা টা। আপনার জন্য ফ্রীল্যান্স নয়৷ আর যদি কামড়ে পড়ে থাকতে পারেন, ভাই ভাই আপনাকেই তো চাই (মীর মশাররফ হোসেন 🤔😇)

বুঝতে সমস্যা হলে জানান৷ তবে আর আগে সার্চ করেই দেখুন!

প্রশ্নটি করেছেন ২২ জন

  জবাবঃ      

আরেহ আসল কথায় আসছেন। টাক! টাকা! টাক! টাকা!

সত্যি বলতে দেশীয় অনেক চাকরির থেকে কয়েকগুণ বেশি ডলার ইনকাম করা যায় এবং চাইলে সেটা সৎপথে। এখন টাকাতে কনভার্ট করে নেন।

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ টাকার চিন্তা নিয়েই কাজ শেখা শুরু করলে কিছুদিন বাদেই হারিয়ে যাবেন৷ যদি একবার ভালবাসতে পারেন, একটা কিছু শিখলে শরীর শক্ত হয়ে ভেতর থেকে জয়ের ইচ্ছে জাগে, তবে ডলার আপনার একাউন্ট এ জমতে থাকবে৷  লিখে রাখেন।

প্রশ্নটি করেছেন ৩০ জন

  জবাবঃ      

বাইকে খেয়াল করেছেন নিশ্চয়ই যে চালানোর আগে নিউট্রাল করে নিতে হয়৷ আপনিও নিউট্রাল জায়গায় আছেন তাহলে৷ ব্যাস! আগের প্রশ্নগুলো পড়লে নিশ্চয়ই আইডিয়া পেয়ে গেছেন।

আরেকবার ধাপে ধাপে বলি।

১) কম্পিউটারের বেসিক কাজ যেমন দ্রুত টাইপ করা, সফটওয়্যার ইনস্টলেশন করতে পারা, বেশ কিছু সফটওয়্যার এর নাম এবং কাজ জানা, কম্পিউটারের খুঁটিনাটি জানা।

২) সার্চ করতে জানা। এই একটা কাজ আপনাকে সবথেকে এগিয়ে দিবে৷ ফ্রীল্যান্সিং এ প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় সামনে আসবে৷ তখন আপনি বারবার কার থেকে সাহায্য চাইবেন? সেই কাজটা করে দিবে গুগল। আপনি জানেন? নিত্য ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ ইউজার অথচ গুগলে সঠিক সার্চ করতে জানেন না এমন সংখ্যা প্রায় ৬০%।  জ্বি এটাই সত্যি৷ অথচ আপনার অনলাইন সমস্যার প্রায় সব সমাধান সার্চ করে পাওয়া যায়। So please Do logical searching. Please! Or Learn it.

৩) আপনার পছন্দের কাজ খুঁজে বের করে শেখা। পছন্দের কাজই শিখতে হবে। তবেই কষ্ট মনে হবে না।

৪) নিজের ব্রান্ডিং এবং মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল প্রতিষ্ঠা করা। (এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব কয়েকদিন পর এই ওয়েবসাইটে)

৫) ভাল ব্যবহার!! জ্বি এটাই। ক্লায়েন্ট এর অপশন প্রচুর কিন্তু আপনার কম। তাই নম্র হোন, কৃতজ্ঞ হোন। বাইরের দেশের ক্লায়েন্ট এতটা ভদ্র হয় যে আপনিই অবাক হবেন, আবার জাল/চুরি করলে তারা কত খারাপ হয় সেটা আর না বলি। আপনার যেকোন ভুল হতেই পারে, সমস্যা আসতে পারে, সময়ের ভিতর কাজ শেষ নাও হতে পারে কিংবা ক্লায়েন্টের টাকা দিতে দেরি হতে পারে- তবুও নম্র থাকুন। প্রচুর উপকার পাবেন। আমার প্রায় ৮০% ক্লায়েন্ট আমার এখনও বন্ধু। শুধু ব্যবহারের জন্য।

প্রশ্নটি করেছেন ১৮ জন

  জবাবঃ      

সুন্দর প্রশ্ন। সত্যি বলতে অনলাইনে ফ্রীল্যান্স করার জন্য পার্সোনাল কম্পিউটার হিসেবে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ জরুরি। কারণ যেসব কাজের কথা আমি আগেই বলেছি সেগুলোতে কম্পিউটার থাকলে সুবিধা বেশি৷

তবে যারা এই প্রশ্ন করেছেন সম্ভবত তাদের পিসি নেই৷ আমি বলব একটু কষ্ট করুন৷ সম্ভব হলে কম বাজেটে একটা ডেস্কটপ ম্যানেজ করুন৷ সেকেন্ডহ্যান্ড পিসি ও পেতে পারেন চোখ কান খোলা রাখলে। কিছু শিখতে পারলে তখন অ্যাপল ইউজার হয়ে যাবেন৷

পিসি না থাকলে যে কাজ করতে পারবেনঃ  Article writing, Digital Marketing

প্রশ্নটি করেছেন ৭ জন

  জবাবঃ      

হ্যা এবং না।

একটা কম্পিউটার, ইন্টারনেট আর আপনার সময়। আর যদি কোন কোর্সে ভর্তি হন তবে সেটা। এইগুলোই ইনভেস্টমেন্ট। এছাড়া এক টাকাও কোথাও দিবেন না।

ভুল বিজ্ঞাপন থেকে সাবধান।

প্রশ্নটি করেছেন ১ জন

  জবাবঃ      

ইন্টারেস্টিং প্রশ্ন।

আমার আগের একটি উত্তরে বিভিন্ন কাজের নাম বলেছি। নিশ্চয়ই সবগুলো আপনার ভাল লাগবে না। যেটা যেটা ভাল লাগে সেটা ইউটিউবে সার্চ দিন। দুদিন সময় নিন। প্রিয় কাজ পেয়ে যাবেন।

আমি শুরু করি গ্রাফিক্স ডিজাইন দিয়ে। আমি জঘন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন করতাম। পরে বুঝতে পারি এটা আমার জন্য নয়। নাটকীয়ভাবেই আমার ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এ আসা৷ সে গল্প সামনাসামনি দিব কোন একদিন।

প্রশ্নটি করেছেন ৮ জন

  জবাবঃ      

নির্ভর করে প্রোজেক্ট এবং ক্লায়েন্টের উপর। তবে ফ্রীল্যান্সিং এ আগেই বলেছি যে কোন সময় বাধা ধরা নেই। আর অনেক সময় ক্লায়েন্টের সময় অনুযায়ী চ্যাট বা মিটিং থাকে। শুধু ডেডলাইনের ভিতর কাজ শেষ করতে হবে৷

আমার প্রোগ্রামিং এতই পছন্দ যে খাওয়া ঘুমের সময় মনে থাকে না। প্রথমদিকে ঘুমাতাম ৩ ঘণ্টার মত, এদিকে সারাদিন ক্লাস পরীক্ষা করেও কোড করতে বসলেই ক্লান্তি নাই। এটাই এক অর্থে প্যাশন৷

জীবনে প্যাশন ঠিক করুন। (কোন এক উত্তরে কিভাবে প্যাশন ঠিক করবেন বলে দিয়েছি)

প্রশ্নটি করেছেন ৩ জন

  জবাবঃ      

কঠিন প্রশ্ন। মিচকি হাসছেন?

কয়েকটি উত্তর নিজের কাছে আগে ক্লিয়ার করুন।

  • আপনি কি চান?
  • আপনার কাছে পরিবার কি চায়?
  • দশ বছর পর কোথায় থাকতে চান?
  • আপনার প্যাশন কি?

একটা পেন্সিল নিন। জীবনের হিসেব পেন্সিলে করবেন, কখনোই কলমে নয়। আপনি যা যা ভাববেন জীবনে সেটা হয় কম। এবার উত্তর লিখে ফেলুন।

আমাকে যারা নক দেন তারা অনেকেই দুদিনেই হারিয়ে যান, কারণ আমি ভুলভাল বানোয়াট আশা দেই না, প্রোফেশন মানেই স্ট্রিক্টলি ভাবতে হবে। ‘প্যাশনের’ প্রশ্ন তুললেই আজ পর্যন্ত ভাল উত্তর পেয়েছি ৫% মানুষের কাছে। আসুন একটু জানি..

পৃথিবীর কোন দেশের সংবিধানকে শান্তির সংবিধান বলা হয় তা তো জানেন তাই না? তো যে ভূখণ্ডের সংবিধান সেখানের লোকেরা খুবই কর্মঠ এবং শেষ দিন পর্যন্ত তারা কাজকে ভালবাসতে পারেন৷ তার কারণ তারা কি পারেন, ভালবাসেন, অর্থ আসবে কিনা এসব ভেবে সেই কাজ করেন৷ আর এটা পরিমাপ করা হয়  Ikigai (ইকিজাই) দিয়ে। খুব সহজ, গুগল করে আপনার প্যাশন এবং আপনার একশন মেপে ফেলুন৷ আর যদি সাহসী হন, তবে সেটাই করুন, সুখী এবং সফল হবেন ১০০০০০%

আর যদি আমার মতো ভীত মানুষ হন, যার ফিয়ার ফ্যাক্টর (গুগল প্লিজ) আছে, তারা স্রোতে নেমে যান।

চাকরির পাশাপাশি ফ্রীল্যান্স নিয়ে যারা প্রশ্ন করেন তাদের বলি, সারাদিন কাজের পর যদি পরিবারকে সময় দিয়ে সব ম্যানেজ করতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। তবে পরিবারে ফ্রীল্যান্সার বাড়িয়ে ফেলুন, সব সহজ হবে৷ Money can’t buy happiness but you can’t be so happy without money, do you?

প্রশ্নটি করেছেন ১৯ জন

  জবাবঃ      

আমি আপওয়ার্ক (upwork dot com) এ কাজ করি। সেখানে বিভিন্নভাবে টাকা দেশে আনা যায়। যেমন মাস্টারকার্ড বা লোকাল ব্যাংক ট্রান্সফারে সরাসরি দেশীয় একাউন্টে (Current dollar to tk rate applicable) টাকা চলে আসে।

তেমনি প্রায় সব মার্কেটপ্লেসেই রয়েছে এমন সুবিধা।

প্রশ্নটি করেছেন ১ জন

  জবাবঃ      

আমাদের দেশে পড়াশোনা আর চাকরির কনসেপ্ট এবং সিস্টেমে এক বিশাল ফাটল রয়েছে। বিভিন্নভাবে কারিকুলাম পাল্টানো হলেও তার সমাধান যেন মিলছে না৷

ফ্রীল্যান্সার বললে শুধু চিনে না তা নয়, বিয়ের জন্য মেয়েও খুব একটা পাবেন না এটাই সত্য। পশ্চিমা জোয়ার চললেও এই খড়কুটো চিন্তাভাবনা আমরা মোটেও পাল্টাতে পারিনি।

তো সেক্ষেত্রে কি দিবেন পরিচয় যাতে একটা ভাব আসে৷ কোন মিথ্যে নয়, সঠিকই বলবেন আর সেটা বেশ শক্ত গলায় উত্তর দিবেন৷

জন+একঃ কি করছ বাবা?
আপনিঃ আংকেল আমেরিকান* কোম্পানিতে জব করি।
তিনিঃ কোথায় কাজ করো?
আপনিঃ আংকেল আমি দেশ থেকেই তাদের সাথে কাজ করছি।

দেখবেন দাবার গুটি আপনার সাপোর্টে থাকবে।

*আপনি যে দেশের সাথে কাজ করেন তার নাম বলবেন।

প্রশ্নটি করেছেন ১ জন

  জবাবঃ      

গুগল আর ইউটিউব থাকতে প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না৷ তবে আপনি চাইলে করতে পারেন।

আমি BITM থেকে SEIP প্রোগ্রামে শিখেছিলাম। কিন্তু তাতে লাভ কিছুই হয় নি। যা শিখেছি বিভিন্ন ওয়েবসাইটের** টিউটোরিয়াল আর গুগল ♥ এবং ইউটিউব ♥ থেকেই।

মনে রাখবেন, ফেসবুককে যদি আপনার বেস্ট প্রায়োরিটি দিয়ে ফেলেন তাহলে কপালে শনি আছে। ফেসবুক বুদ্ধিমানদের জন্য মার্কেটিং মাধ্যম মাত্র।

** যেসব সাইটে টিউটোরিয়াল পাবেনঃ  Udacity, Tutsplus, Lynda, Udemy, Coursera, Skillshare, Treehouse, Codecademy, Class central etc etc etc.

এখানে শিখতে টাকা লাগবে৷ সেক্ষেত্রে Torrent এ সেসব কোর্স ফ্রী তে পাবেন৷ আর Udemy তে সারা বছর ছাড় চলে। আমি ফ্রীতে নিতে উৎসাহিত করছি না মোটেও। ইনকাম শুরু হলে সেই কোর্স কিনে নিবেন, ব্যাস।

প্রশ্নটি করেছেন ১০ জন

  জবাবঃ      

কোন কথা নেই, বেস্ট অপশন।

দেশে প্রাইভেট টিউটর বা টিউশন যোদ্ধাদের যে পরিমাণ অমর্যাদার কথা শুনি, ভাই/আপু, দেখিয়ে দেন আপনারা না থাকলে কি হাল হয়!

ফ্রীল্যান্সিং একাডেমিকের সাথে সাংঘর্ষিক হবে কিনা জানতে প্রশ্ন ছিল। আশা করি উত্তর মিলেছে৷

Everyone can do freelance jobs. Everyone!

প্রশ্নটি করেছেন ৬ জন

  জবাবঃ      

খুব সহজ। নিচের সাবস্ক্রিপশন ফরমে আপনার নাম এবং ইমেইল দিন, সাবমিট করুন। সঠিক হলে পেজটি লোড হবে এবং নিচের ফরমে মেসেজ দেখাবে। আপনার মেইলে একটি লিংক পাবেন, সেখানে ক্লিক করলেই শেষ! এখন থেকে আমার সব পোস্ট আপনি মেইলেই পাবেন।

আপনি যেকোন সময়েই আনসাবক্রাইব করতে পারবেন। 

প্রশ্নটি করেছেন ১ জন



You can ask your questions here